মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলার সময়সীমা আবারও পিছিয়ে দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে পতন ঘটেছে।
শুক্রবার এক শতাংশের বেশি কমেছে তেলের দাম। এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা কিছুটা শিথিল হওয়ার ইঙ্গিত। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ হয়, তাই এর যেকোনো অস্থিতিশীলতা সরাসরি বাজারে প্রভাব ফেলে।
এর আগে ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রণালি খুলে না দিলে ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালানো হবে। তবে পরে তিনি আলোচনার অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে সময়সীমা বাড়িয়ে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত করেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, ইরানের অনুরোধেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। যদিও তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে সরাসরি আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।
এই অবস্থায় বাজারে একদিকে স্বস্তি এলেও অন্যদিকে অনিশ্চয়তা থেকেই গেছে। হোয়াইট হাউসের ভিন্নধর্মী বার্তা ও পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে শেয়ারবাজারেও চাপ দেখা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাময়িকভাবে তেলের দাম কমলেও পরিস্থিতি এখনো অস্থির। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।