আজ থেকে রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির দাবিতে ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ ও গণজমায়েতের কর্মসূচি শুরু করেছে। সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর কমিটির মুখপাত্র আব্দুর রহমান জানান, চারটি স্থায়ী মঞ্চ এবং একটি ট্রাকভিত্তিক ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ সাতটি ক্যাম্পাসে ঘুরে নির্ধারিত সময়ে জনসভা করবে।
স্থায়ী মঞ্চগুলো ঢাকা কলেজ, ইডেন, বদরুন্নেসা, বাঙলা কলেজ, কবি নজরুল, সোহরাওয়ার্দী ও তিতুমীর কলেজের সামনে স্থাপিত হবে। এসব মঞ্চে সংকট ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা ছাড়াও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হতে পারে।
ভ্রাম্যমাণ মঞ্চটি ১৯ থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত সাত কলেজের প্রতিটি ক্যাম্পাসে যাবে। এরপর ২২ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় সায়েন্স ল্যাব মোড়ে স্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ নিয়ে আবারো জমায়েত হবে। ওইদিন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশের চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে গেজেটে প্রকাশের পর একটি বৃহৎ বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। কোনো ব্যত্যয় ঘটলে যমুনা বা সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মুখপাত্র আরও জানান, বুধবার ক্যাবিনেট মিটিংয়ে অধ্যাদেশ নিয়ে আপডেট আসবে। নেগেটিভ আপডেট এলে ‘মার্চ ফর যমুনা’ কর্মসূচি ঘোষণা হতে পারে, পজিটিভ হলে বৃহস্পতিবার চারটি মঞ্চ থেকে সবাই সায়েন্স ল্যাবের ভাসমান মঞ্চে এসে আনন্দ মিছিল করবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রণীত অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো থেকে মতামত গ্রহণ, জনমত সংগ্রহ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের মতামত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিক নেতারা, শিক্ষাবিদ ও সুধীজনকে যুক্ত করে তাদের দাবির পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে ভ্রাম্যমাণ ও স্থায়ী মঞ্চ ব্যবহার করবে।